ওই সেকুলাঙ্গারকে বেশি ভয় করুন, যে আপনাকে নেকাব পরার অধিকার 'দেয়'৷ দাড়ি রাখার অধিকার 'দেয়'। মাইকে আযান দেওয়ার অধিকার 'দেয়'।
![]() |
| © কলা বিজ্ঞানী |
যে আপনার নেকাব খুলিয়ে চেহারা দেখতে মরিয়া, দাড়ি ছিলিয়ে গাল দেখতে লালায়িত, তাকে তো আপনি ঘৃণাই করেন। যে আপনাকে ফিসফিস করে আযান দিতে বাধ্য করে (কিন্তু মেয়ে জন্মালে কেন জোরে আযান দেয় না, তা নিয়ে আবার মায়াকান্না দেখায়), তাকে তো আপনি ঘৃণাই করেন।
কিন্তু যে আপনাকে অধিকার দিয়ে বর্তে ফেলেছে, তার শেকল আপনার গলায়-হাতে-পায়ে বাঁধা৷ যার হাত থেকে আপনি সনদ নিয়েছেন, তার কাছে আপনি "চিরকৃতজ্ঞতা-পার্শ্বে আবদ্ধ ও বাধিত"। যে আপনাকে নামায পড়ার সময় দেয়, আপনার বাকি সময়টা সে কিনে নিয়েছে৷ যেই কোর্ট আপনাকে মসজিদের জমি ছেড়ে দিয়েছে, তাকে "মহামান্য মহামান্য" ডাকতে ডাকতে কূল পাবেন না।
নাজ্জাশি (রাঃ) এর উদাহরণ টানবেন না। তিনি সেকুলাঙ্গার ছিলেন না৷ তিনি তৌহিদি জনতা (বা তৌহিদি রাজা)। তাওহীদে বিশ্বাস করতেন বলে তাওহীদ পালনের অধিকারে বিশ্বাস করতেন। নিজের বিশোপদের সাথে তার ধর্মতাত্ত্বিক মতবিরোধ ছিল। শেষমেশ তিনি স্বভাবতই ইসলাম গ্রহণ করে ছেড়েছেন।
পক্ষান্তরে একজন সেকুলাঙ্গার কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে যে, সেকুলাঙ্গার ধর্মের কোনো রুকন বাধাগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত বিধর্মীরা নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে৷ সে যদি মনে করে নিকাব পরলে, দাড়ি রাখলে বা মাইকে আযান দিলে সেকুলাঙ্গার ধর্মের কোনো রুকন নষ্ট হয় না, তাহলে সে সেসব করতে 'দিবে'।
কিন্তু পরে গিয়ে যখন দেখবে নেকাব পরার পাশাপাশি আপনি ১৪ এপ্রিলে পানি দিয়ে কচলে ভাত খেতেও নারাজ, নিজে দাড়ি রাখার অধিকার ঠিকই বাগিয়ে নিলেও আরেকজনের হাগুকামিতার অধিকারে বিশ্বাস করেন না, মাইকে আযান দেওয়ার পাশাপাশি আপনি অমু❤️🩹সলিমদের থেকে জিযি❣️য়া নিতে চান, তখন তার ভ্রু কুঁচকে যাবে। সব সেকুলাঙ্গারের একইসাথে কুঁচকাবে না। একেকজনের মেল্টিং পয়েন্ট একেকটা৷ যার গলনাঙ্ক নেকাব থেকে শুরু হয়, তাকে চিনতে পারা সহজ। কিন্তু যার গলনাঙ্ক হুদু💓দ থেকে শুরু, তাকে চিনতে দেরি হবে।
লেখক: Hujur Hoye
