মুসলিম মেয়েরা সুইজারল্যান্ডের স্কুলে ছেলেদের সাথে সাতার কাটা শিখতে বাধ্য।
সুইজারল্যান্ডের একটি স্কুলে ছেলে মেয়েদের একসাথে বাধ্যতামুলক সাতার শেখার ক্লাসে তুর্কি এক দম্পতি তাদের ১২,১৪ বছর বয়সী মেয়েকে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানান। স্কুল একারনে সে অভিভাবকে ১৬শ পাউন্ড জরিমানা করে স্কুলের কারিকুলামে বাচ্চাদের অংশ না নিতে দেওয়ায়।
![]() |
| © কলা বিজ্ঞানী |
সে দম্পতিও স্কুলের নামে মামলা করে বসেন ধর্মীয় স্বাধীনতা হরনের।কারন ইসলামে ছেলে-মেয়েদের একসাথে এমন সুইমিং করার কোনো অনুমতি নেই।
কিন্তু সুইস আদালত রায় দেয় স্কুলের পক্ষে।সে দম্পতিও হাল না ছেড়ে মামলা নিয়ে হাজির হন ইউরোপিয়ান কোর্ট অফ হিউম্যান রাইটসের(ECHR) কাছে।
ইউরোপিয়ান কোর্টও রায় দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং সুইস আদালতের পক্ষে এবং বলে অভিভাবকদের অভিযোগ অগ্রহনযোগ্য কারন মুসলিম অভিভাকরা তাদের মেয়েদের স্কুলে ছেলেদের সাথে সুইমিং করাতে আইনগতভাবে বাধ্য।
ইউরোপীয়ান কোর্টের বিচারক স্বীকার করে যে এভাবে বাধ্য করলে স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হয় তবে তার মতে এক্ষেত্রে ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন হচ্ছে না।[1]
তো এই হলো শুধু ছোট্ট একটা পশ্চিমাদের দেওয়া ধর্মীয় স্বাধীনতার বাস্তবিক ঘটনা।ঘটনাটা ২০১৭ সালের।
~চিন্তাপরাধ বই থেকে
