ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে রিসার্চার ও বিজ্ঞানীদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড খুবই স্পষ্ট। যেমন ২০১৯ সালে বিখ্যাত সায়েন্টিফিক আমেরিকান ব্লগে সিমোন একটি প্রতিবেদন পাবলিশ করেন “stop using phony science to justify tra/*sphob!a” অর্থাৎ বিজ্ঞান দিয়ে ট্র।ন্সজেন্ড।রদের বিরুদ্ধে বলা বাদ দিতে। মূলত ট্র।ন্সজেন্ড।র আইডিওলোজি বিজ্ঞান বিরোধী আইডিওলোজি কিন্ত সমাজের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড রিসার্চারদের মাথাকেও নিয়ন্ত্রণ করে।
তারা এইটাকে কুযুক্তি বা ফ্যালাসিয়াস আর্গুমেন্ট বলে উড়িয়ে দেয়। এমনকি সত্য নিয়ে চিন্তা করতে উৎসাহ এবং ধর্মকে কুসংস্কার মনে করা astrophysicist Neil Degrasse Tyson বেন শাপিরো এর সাথে ইন্টারভিউ তে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি স্পষ্টই বলেন যে তিনি বিশ্বাস করেন “একটি ছেলে চাইলে মেয়ে হতে পারে”। আচ্ছা এই কথা বলাতে কি তাদের জব থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে কিংবা বহিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে? একদম না। আমরা উলটো চিত্র দেখতে পাই। অন্যদিকে Kathleen Stock একজন ব্রিটিশ ফিলোসোফার এবং ফেমিনিস্ট। তাকে অক্সফোর্ড ইউনিয়নের ইভেন্ট এ ট্র।ন্সবিরোধী আইডিওলোজি হোল্ড করায় ইভেন্ট ক্যান্সেল করে দেওয়া হয়। এই সেইম ট্রিটমেন্ট আমরা টাইসনের ক্ষেত্রে দেখি না, তাকে ক্যান্সেল করা হয় না। অথচ হার্ম প্রিন্সিপাল অনুযায়ী, ট্র।ন্সবিরোধী আইডিওলোজি কেও নিজস্ব ভোকাল দেওয়া উচিত ছিলো যা আবারো ডাবল স্ট্যান্ডার্ডকেই স্পষ্ট করে দেয়।
লেখাঃ নাবিক ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত
